ফেসবুক পোস্টের জন্য একটা ছবি দরকার। ইউটিউব থাম্বনেইল বানাতে হবে। ক্লায়েন্টের ব্লগে বসানোর মতো একটা ফিচার ইমেজ চাই। আগে এসব কাজে হয় ডিজাইনার ডাকতে হতো, নয়তো স্টক ফটোর সাইটে ঘণ্টাখানেক খুঁজতে হতো।

এখন এক লাইনের বর্ণনা লিখলে ত্রিশ সেকেন্ডে ছবি হাতে চলে আসে। আর তার জন্য কার্ডে এক টাকাও খরচ করতে হয় না, যদি জানা থাকে কোন টুলে কী পাওয়া যায়।

সমস্যা হলো, ফ্রি টুলের তালিকা অনেক লম্বা, আর প্রতিটার শর্ত আলাদা। কোনোটা দিনে মাত্র দু-তিনটা ছবি দেয়। কোনোটা সপ্তাহে একবার ক্রেডিট দেয়। কোনোটার ছবিতে ওয়াটারমার্ক বসে। কোনোটার বানানো ছবি সবাই দেখতে পায়।

এই লেখায় ১০টি টুল একে একে দেখব। প্রতিটার ফ্রি লিমিট, কোন কাজে ভালো, আর কোথায় আটকে যেতে পারেন, সব খোলাসা করে লিখেছি।

একটা কথা আগেই বলে রাখি। ফ্রি প্ল্যানের লিমিট কোম্পানিগুলো প্রায়ই বদলায়। নিচের সংখ্যাগুলো নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বিভিন্ন সূত্রে যা পাওয়া গেছে, তার ভিত্তিতে লেখা। ব্যবহারের আগে টুলের নিজস্ব সাইটে একবার দেখে নেবেন।

এক নজরে ১০টি টুল

টুল ফ্রি অ্যাক্সেস সাইন-আপ লাগে? কোন কাজে সেরা
Google Gemini প্রতিদিন একটা কোটা Google অ্যাকাউন্ট বাস্তবসম্মত ছবি, রোজকার কাজ
ChatGPT দিনে ২ থেকে ৩টি (মোটামুটি) হ্যাঁ কথোপকথনে ছবি ঠিক করা
Microsoft Copilot প্রতিদিন কিছু ফাস্ট ক্রেডিট, তারপর ধীরগতি Microsoft অ্যাকাউন্ট সবচেয়ে বেশি ছবির সুযোগ
Ideogram সাপ্তাহিক ক্রেডিট হ্যাঁ ছবির ভেতরে লেখা
Leonardo AI দৈনিক ১৫০ টোকেন হ্যাঁ গেম আর্ট, ক্যারেক্টার, স্টাইল
Adobe Firefly মাসিক সীমিত ক্রেডিট Adobe অ্যাকাউন্ট ব্যবসায়িক কাজ
Canva সীমিত মাসিক ব্যবহার হ্যাঁ ছবি বানিয়েই ডিজাইনে বসানো
Meta AI ঢিলেঢালা লিমিট Facebook বা Instagram অ্যাকাউন্ট ভলিউম, দ্রুত খেলাচ্ছলে
Perchance সীমাহীন লাগে না অ্যাকাউন্ট ছাড়া যত খুশি
FLUX (ওপেন সোর্স) নিজের কম্পিউটারে সীমাহীন লাগে না যাদের ভালো GPU আছে

১. Google Gemini (Nano Banana মডেল)

বেশিরভাগ মানুষের জন্য শুরুটা এখান থেকেই করা ভালো। Gmail অ্যাকাউন্ট থাকলেই হলো। আলাদা কোনো টুল খুলতে হয় না, Gemini অ্যাপে বা সাইটে গিয়ে লিখে দিলেই ছবি আসে।

ফ্রি প্ল্যানে প্রতিদিন একটা কোটা পাওয়া যায়। সেই কোটা ঠিক কত, তা নিয়ে সূত্রভেদে সংখ্যা আলাদা। কেউ লিখেছে দিনে প্রায় ২০ থেকে ৫০টা, কেউ আরও বেশি। Google নিজেও এখন আর পরিষ্কার সংখ্যা বলছে না বলে জানা যাচ্ছে। তবে সাধারণ কাজে কোটা ফুরিয়ে যাওয়ার ঘটনা কমই ঘটে।

ছবির মান ভালো, বিশেষ করে মানুষের মুখ, আলো আর বাস্তব দৃশ্যে। ইনফোগ্রাফিকের মতো লেখাসহ ছবিও মোটামুটি সামলায়।

সমস্যা: ছবিতে দৃশ্যমান বা অদৃশ্য চিহ্ন বসতে পারে। ক্লায়েন্টের কাজে লাগালে আগে নিজে যাচাই করে নেবেন।

২. ChatGPT

ChatGPT-র ছবির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো আলাপ চালিয়ে যাওয়া যায়। প্রথম ছবি পছন্দ হলো না? লিখুন, "পেছনটা একটু নীল করো, মেয়েটার হাতে চায়ের কাপ দাও।" ও সেটাই করবে, আবার গোড়া থেকে শুরু করতে হবে না।

ফ্রি অ্যাকাউন্টে সীমা বেশ কড়া। বিভিন্ন সূত্র বলছে ২৪ ঘণ্টায় মোটামুটি দুই থেকে তিনটি ছবি। তাই এটাকে ভলিউমের জন্য নয়, নির্ভুলতার জন্য ধরুন। একটা ছবি যদি একদম ঠিকঠাক চাই, এখানে সময় দিন।

ছবির ভেতরে লেখা, পোস্টার, নির্দেশ মেনে চলা, এই তিন জায়গায় এর পারফরম্যান্স ভালো।

সমস্যা: কোটা খুব অল্প। দিনের প্রথম দিকে ছবি বানিয়ে ফেললে বিকেলে আর সুযোগ নাও থাকতে পারে।

৩. Microsoft Copilot (আগের নাম Bing Image Creator)

ছবির সংখ্যার হিসাবে এই তালিকার সবচেয়ে উদার ফ্রি টুলগুলোর একটা। প্রতিদিন কিছু ফাস্ট ক্রেডিট দেয়। সেগুলো শেষ হলেও থামে না, ছবি বানানো চলে, শুধু একটু ধীরে। কয়েকটি সূত্রে ২৪ ঘণ্টায় ২০০টির মতো প্রম্পটের কথা পাওয়া গেছে।

Microsoft অ্যাকাউন্ট লাগবে, তবে কার্ড লাগে না।

পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে চাইলে, একই আইডিয়ার দশটা ভার্সন দেখতে চাইলে, এটা চমৎকার।

সমস্যা: শর্তে ব্যক্তিগত ব্যবহারের কথা বেশি জোর দিয়ে আছে। ব্যবসার কাজে বা ক্লায়েন্টের জন্য লাগালে Microsoft-এর বর্তমান শর্ত পড়ে নিন।

৪. Ideogram

কখনো AI দিয়ে ছবি বানিয়ে দেখেছেন লেখাটা কেমন বিকৃত হয়ে যায়? "SALE" লিখতে বললে "SAEL" বা অচেনা কোনো অক্ষর বসে গেল। Ideogram এই জায়গায় সবার চেয়ে এগিয়ে।

পোস্টার, লোগোর খসড়া, ব্যানার, সোশ্যাল মিডিয়া কার্ড, যেখানে ছবির মধ্যে ইংরেজি শব্দ বসাতে হয়, সেখানে এর ওপর ভরসা করা যায়।

ফ্রি প্ল্যানে ক্রেডিট সাপ্তাহিক হিসাবে আসে। কোনো সূত্রে সপ্তাহে ১০, কোনোটায় ৩০ ক্রেডিটের কথা আছে, তাই সঠিক সংখ্যা সাইটে গিয়ে দেখুন। আরেকটা জরুরি তথ্য আছে। কিছু সূত্র বলছে Google, Apple বা Microsoft দিয়ে সাইন ইন করলেই ফ্রি ক্রেডিট মেলে। ইমেইল-পাসওয়ার্ড দিয়ে খুললে নাও মিলতে পারে।

সমস্যা: ফ্রি প্ল্যানে বানানো ছবি পাবলিক গ্যালারিতে দেখা যায়। গোপন কাজের জন্য এটা ঠিক নয়।

৫. Leonardo AI

গেমের চরিত্র, ফ্যান্টাসি দৃশ্য, কনসেপ্ট আর্ট, চিত্রকলার ঢং, এসব ধরনের কাজে Leonardo-র জুড়ি কম। অনেকগুলো মডেল আর স্টাইল থেকে বেছে নেওয়া যায়।

প্রতিদিন ১৫০ টোকেন ফ্রি। একটা সাধারণ ছবিতে যত টোকেন যায়, তাতে দিনে মোটামুটি ২০টির মতো ছবি হয়। রোজ রিসেট হয় বলে নিয়মিত ব্যবহারকারীর জন্য সুবিধাজনক।

সমস্যা: ফ্রি ছবি সবার জন্য খোলা থাকে। বাণিজ্যিক ব্যবহারের অধিকার নিয়ে বিভিন্ন সূত্র একমত নয়, তাই ক্লায়েন্টের টাকায় চলা কাজে ব্যবহারের আগে শর্ত দেখে নিন।

৬. Adobe Firefly

Adobe-র দাবি, Firefly-র মডেল লাইসেন্স নিয়ে বা মুক্ত কনটেন্ট থেকে প্রশিক্ষিত। এই কারণে ব্যবসায়িক কাজে এটাকে তুলনামূলক নিরাপদ ধরা হয়। যাঁরা কোম্পানির জন্য কনটেন্ট বানান, তাঁদের কাছে এই বিষয়টা অনেক সময় ছবির মানের চেয়েও বড়।

ফ্রি অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে সীমিত ক্রেডিট মেলে। ভলিউম কম, তবে ফটোশপ বা Adobe Express-এর সাথে মিলিয়ে কাজ করলে সুবিধা বেড়ে যায়।

সমস্যা: মাসিক ক্রেডিট দ্রুত শেষ হয়। রোজকার ভারী ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত নয়।

৭. Canva (Magic Media)

Canva আগে থেকেই আপনার ডিজাইন টুল হয়ে থাকলে আলাদা কিছু খোলার দরকার নেই। ভেতরেই AI ছবি বানানোর অপশন আছে। ছবি তৈরি হলে সরাসরি পোস্টে, প্রেজেন্টেশনে বা থাম্বনেইলে বসিয়ে দিন।

যাঁরা ডিজাইনের ঝামেলায় যেতে চান না, কিন্তু একটা তৈরি করা ফাইনাল আউটপুট চান, তাঁদের জন্য এটা সবচেয়ে সোজা পথ।

সমস্যা: ফ্রি প্ল্যানে AI ব্যবহারের সীমা মাসিক হিসাবে বাঁধা, আর ছবির স্বাধীনতা অন্য টুলের চেয়ে কম।

৮. Meta AI

Facebook, Instagram, WhatsApp আর Messenger, সবখানেই Meta AI চালু। আলাদা অ্যাপে ঢুকতে হয় না। WhatsApp-এ চ্যাট খুলে লিখে দিলেই ছবি।

বেশ কয়েকটি পরীক্ষায় দেখা গেছে, ফ্রি অ্যাক্সেসের দিক থেকে এটাই সবচেয়ে ঢিলেঢালা। মানে আপনি লিমিটের কথা তেমন ভাবেন না।

সমস্যা: ছবিতে ওয়াটারমার্ক থাকে। আর নিয়ন্ত্রণের অপশন কম, তাই সূক্ষ্ম কাজে সুবিধা হয় না।

৯. Perchance

এই তালিকার একমাত্র টুল, যেটা সাইন-আপ ছাড়াই চলে। সাইটে ঢুকুন, লিখুন, ছবি আসবে। কোনো ইমেইল নেই, কোনো পাসওয়ার্ড নেই।

একাধিক সূত্র বলছে, এতে দৈনিক সীমা নেই এবং ওয়াটারমার্কও বসে না। এটা মূলত Stable Diffusion ধাঁচের মডেল ব্যবহার করে।

যাঁরা শুধু কিছু ছবি দ্রুত দেখে নিতে চান, কিংবা অ্যাকাউন্ট খুলতে চান না, তাঁদের জন্য এটাই সোজা সমাধান।

সমস্যা: ছবির মান বড় কোম্পানির টুলগুলোর চেয়ে নিচে। রেজোলিউশনও ছোট, আর হাত-পায়ের মতো খুঁটিনাটিতে ভুল হয় বেশি।

১০. FLUX (ওপেন সোর্স, নিজের কম্পিউটারে)

এটা একটু আলাদা ধরনের। FLUX ওপেন-ওয়েট মডেল, মানে ডাউনলোড করে নিজের পিসিতে চালানো যায়। একবার সেট আপ হয়ে গেলে ছবির সংখ্যায় কোনো সীমা নেই, কোনো কোম্পানি কিছু গুনছে না, কেউ দেখছেও না।

পাইথন নিয়ে কাজ করেন, ComfyUI বা Automatic1111 চেনেন, আর ভালো একটা NVIDIA GPU আছে? তাহলে এটা আপনার জন্য। ব্যাচে হাজার হাজার ছবি বানাতে হলে অটোমেশনের সাথে জুড়ে নেওয়াও সম্ভব।

সমস্যা: সেট আপে সময় লাগে, আর দুর্বল কম্পিউটারে ছবি বানাতে অনেক দেরি হয়। নতুনদের জন্য প্রথম পছন্দ না। মডেলভেদে লাইসেন্সও আলাদা, ডাউনলোডের আগে দেখে নিন।

কোন কাজে কোনটা বেছে নেবেন

সবগুলো একসাথে চালানোর দরকার নেই। কাজ অনুযায়ী দুটো-তিনটে হাতের কাছে রাখলেই চলে।

  • ব্লগের ফিচার ইমেজ বা রোজকার ছবি: Gemini
  • ছবির মধ্যে লেখা (পোস্টার, ব্যানার): Ideogram, তারপর ChatGPT
  • একই আইডিয়ার অনেক ভার্সন দেখতে চান: Microsoft Copilot
  • গেম, ফ্যান্টাসি, ক্যারেক্টার: Leonardo AI
  • কোম্পানির কাজ, ঝুঁকি কম রাখতে চান: Adobe Firefly
  • ডিজাইন সমেত ফাইনাল ফাইল: Canva
  • অ্যাকাউন্ট ছাড়া দ্রুত কাজ: Perchance
  • হাজার ছবি, নিজের নিয়ন্ত্রণে: FLUX

ভালো ছবির জন্য প্রম্পট লেখার কিছু কৌশল

টুল যতই ভালো হোক, ফলাফল নির্ভর করে আপনি কী লিখছেন তার ওপর। কয়েকটা অভ্যাস কাজে লাগে।

বিষয়, পরিবেশ, আলো, ক্যামেরার ধরন, এই চারটা জিনিস বলুন। শুধু "একটা মেয়ে" না লিখে লিখুন, "জানালার ধারে বসে বই পড়ছে এমন এক তরুণী, সকালের নরম রোদ, ক্লোজ-আপ শট।"

ইংরেজিতে লিখলে সাধারণত ফল ভালো আসে। বাংলা প্রম্পট বুঝলেও ছবির ভেতরে বাংলা লেখা প্রায়ই ভুল বা অস্পষ্ট হয়। বাংলা শব্দ বসাতে হলে ছবিটা আগে খালি জায়গা রেখে বানান, তারপর Canva বা ফটোশপে লেখাটা নিজে বসান।

একটা নমুনা দিচ্ছি:

A tea stall on a rainy evening in Dhaka, warm yellow light from
a hanging bulb, steam rising from cups, three men talking under a
tin roof, shot on 35mm film, shallow depth of field

ছবি মনের মতো না হলে পুরো প্রম্পট বদলাবেন না। একটা জিনিস বদলে আবার চেষ্টা করুন, যেমন আলো বা ক্যামেরার কোণ। কোন পরিবর্তনে কী হলো সেটা তাতে বোঝা যায়।

ফ্রি ছবি কি ব্যবসায় ব্যবহার করা যায়?

এই প্রশ্নের এক লাইনের উত্তর নেই, কারণ প্রতিটা টুলের শর্ত আলাদা।

ChatGPT, Adobe Firefly আর Ideogram-এর শর্তে বাণিজ্যিক ব্যবহারের অনুমতির কথা বেশিরভাগ সূত্রে পাওয়া যায়। Microsoft Copilot-এর ফ্রি ছবি নিয়ে অনেক সূত্র ব্যক্তিগত ব্যবহারের কথা বলছে। Leonardo নিয়ে সূত্রগুলো একমত নয়।

তাই নিজের ফেসবুক পেজ বা ব্লগের জন্য ব্যবহারে ঝুঁকি কম। কিন্তু ক্লায়েন্টকে বিক্রি করার কাজ, বই, বিজ্ঞাপন বা ব্র্যান্ডের লোগো হলে সেই টুলের বর্তমান Terms of Service নিজে পড়ে নিন। আর কপিরাইটযুক্ত চরিত্র বা কোনো বাস্তব মানুষের মুখ বানাতে বলবেন না, ওতে আইনি সমস্যা হতে পারে।

প্রায়ই জিজ্ঞেস করা প্রশ্ন

সবচেয়ে ভালো ফ্রি AI Image Generator কোনটা?
বেশিরভাগ তুলনায় Google Gemini এগিয়ে থাকে, কারণ ছবির মান ভালো আর দৈনিক কোটাও তুলনামূলক বড়। তবে লেখাওয়ালা ছবির জন্য Ideogram আর কথোপকথনে সংশোধনের জন্য ChatGPT অনেক সময় বেশি কাজের।

সাইন-আপ ছাড়া কোনটা চলে?
Perchance। বাকিগুলোতে কোনো না কোনো অ্যাকাউন্ট লাগে।

ওয়াটারমার্ক ছাড়া ছবি পাওয়া যায়?
Ideogram, Leonardo, ChatGPT আর Perchance-এর ফ্রি ছবিতে সাধারণত দৃশ্যমান ওয়াটারমার্ক থাকে না বলে সূত্রে উল্লেখ আছে। Meta AI আর কিছু অন্য টুলে থাকতে পারে।

বাংলায় প্রম্পট লিখলে কাজ হবে?
সাধারণ বর্ণনা বুঝে নেয়, কিন্তু ইংরেজি প্রম্পটে ফল সাধারণত পরিষ্কার হয়। ছবির ভেতর বাংলা হরফ বসাতে চাইলে আলাদা ডিজাইন টুলে লিখে নেওয়াই নিরাপদ।

নিজের কম্পিউটারে চালাতে কত শক্তিশালী পিসি লাগে?
এটা মডেলের সংস্করণের ওপর নির্ভর করে। সাধারণভাবে একটা ভালো NVIDIA GPU, আর যথেষ্ট ভিডিও মেমরি থাকলে কাজ চলে। ডাউনলোডের আগে মডেলের নিজস্ব পাতায় ন্যূনতম চাহিদা দেখে নিন।

শেষ কথা

এক টুলে আটকে থাকার কোনো কারণ নেই। রোজকার ছবির জন্য Gemini, লেখাওয়ালা পোস্টারের জন্য Ideogram, বেশি বেশি পরীক্ষার জন্য Copilot। এই তিনটেই বেশিরভাগ কাজ সামলে দেয়।

আজই যেকোনো একটা খুলে একটা প্রম্পট লিখে দেখুন। প্রথম ছবি হয়তো মনের মতো হবে না। তৃতীয় বা চতুর্থ চেষ্টায় হাত বসে যায়।

আর ছবি বানানো তো শুরু মাত্র। স্ক্রিপ্ট, ভয়েসওভার, ছবি আর ভিডিও জুড়ে পুরো কনটেন্ট প্রোডাকশন কীভাবে অটোমেট করা যায়, সেটা শিখতে চাইলে Banglay AI-এর AI Video Automation কোর্স দেখতে পারেন।